ইসমাইল হোসেনঃ
গত ১০ ফেব্রুয়ারি জনপ্রিয় ও পাঠক নন্দিত “সাপ্তাহিক বার্তার” অনলাইনে “ঘোড়াটিকেও মেরে ফেলল ওরা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটি কাকড়াজন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম বিদ্যুতের নজরে আসলে তিনি সেই ঘোড়ার মালিক দিনমজুর শাহিদুলকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা করেন। মঙ্গলবার বিকেলে তৈলধারা বাজার এলাকায় তার হাতে এ টাকা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় কালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান,
কালিয়া ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, কাকড়াজান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফরিদউজ্জামান ফরিদ, কালিয়া ইউনিয়ন সেচ্ছসেবকলীগের সভাপতি কবি শাহ আলম সানি, যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম শফি, ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান শাওন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে শহিদুল বলেন, ঘোড়াটি হারিয়ে আমি নিঃস্ব। চেয়ারম্যান সাহেব আমাকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা করেছে আর কিছু টাকা দিয়ে আমি আবার একটি ঘোড়া কিনব।
ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, রাতের কে বা কারা দিনমজুর শহিদুলের সংসারের আয়ের একমাত্র মাধ্যম ঘোড়াটি গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। এ খবর সখীপুর বার্তায় প্রকাশিত হয় সেটি দেখি আমি তাকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা করি।
প্রসঙ্গতঃ গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রতিদিনের মতো শহিদুল তার ঘোড়াটিকে গোয়াইল ঘরে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে ঘোড়াটি ঘর থেকে বের করতে গেলে ঘোড়াটি পাওয়া যায়নি। না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। এরপর বাড়ির পাশে সামাজিক বনায়নে গাছের সঙ্গে গলায় রশি টাঙানো অবস্থায় ঘোড়াটিকে স্থানীয় দেখে শহিদুলকে খবর দেয়। সে গিয়ে তার প্রিয় ঘোড়াটি মৃত দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। শাহ্আলম উপজেলার বড়চওনা গায়েন মোড় গ্রামের মৃত মাজম আলীর ছেলে।
শহিদুলের সংসার চালাতে তার আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি ঘোড়ার গাড়ি।
